Wednesday 25 March






বি বি ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর আয়োজিত অডিটোরিয়াম এ ২৫ জন নার্সিং ছাত্রদের শুরুতে তাদের শপথ বাক্য পাঠ উপস্থিত রাজ্যে মাইনরিটি চেয়ারম্যান আহমদ হাসান ইমরান

2025-02-28 | পশ্চিমবঙ্গ | Kaliachak Sangbad | Views : 1057


বি বি ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর আয়োজিত অডিটোরিয়াম এ ২৫ জন নার্সিং ছাত্রদের শুরুতে তাদের শপথ বাক্য পাঠ উপস্থিত রাজ্যে মাইনরিটি চেয়ারম্যান আহমদ হাসান ইমরান বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:- বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর আয়োজিত অডিটোরিয়াম এ বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর প্রায় ২৫ জন নার্সিং ছাত্রদের সামনে মানব সেবায় পথ চলার শুরুতে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর প্রিন্সিপাল রত্না কোটাল। এছাড়াও এদিন উদ্বোধনী সঙ্গীতের পাশাপাশি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এর মধ্যে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রাক্তন সাংসদ তথা চিয়ারম্যাম পশ্চিম বঙ্গ মাইনরিটি কমিশন আহমদ হাসান ইমরান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক আল আল আমিন মিশন, কে কে গুপ্তা চেয়ারম্যান জগন্নাথ গুপ্তা অফ মেডিক্যাল সায়েন্স এন্ড হসপিটাল,ডাক্তার ফারুক পূরকাইত ডিরেক্টর বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং,রত্না কোটাল প্রিন্সিপাল বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং,মহম্মদ শাহ আলম চেয়ারম্যান বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং সহ আরো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ। বজ বজ ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং এর ডিরেক্টর ফারুক পুরকাইত তিনি জানান আজ নার্সিং দ্বিতীয় ব্যাচে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। ডাক্তারদের যেরকম তাদের শপথ বাক্য পাঠ করে ট্রেনিং শুরু করতে হয়। ঠিক নার্স তাদের উদ্দেশ্য ও আদর্শ উদ্বুক্ত হয়ে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করে শপথ বাক্য পাঠ করে। এটা আমাদের মেল নার্স বলা যায় এটা তাদের গুরত্বপূর্ণ অধ্যায় নার্সিং চিকিৎসা ক্ষেত্রে শুরু হওয়ার আগে। বি বি ইন্সটিটিউট অফ নার্সিং এ মোট ২৫ জন মেল নার্স তাদের কে শপথ বাক্য গ্রহণ করলো তারা।



মোথাবাড়িতে প্রচারে ঝড় তুললেন বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোথাবাড়ি: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে জেলাজুড়ে। মঙ্গলবার মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষের প্রচারে দেখা গেল ব্যাপক উদ্দীপনা। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দিনভর তিনি হামিদপুর চরের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোট প্রচার চালান। এদিন সকাল থেকেই প্রচারে নেমে নিবারণ ঘোষ স্থানীয় গ্রামগুলিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাছে ভোটের আবেদন জানান। শুধু আনুষ্ঠানিক প্রচারেই সীমাবদ্ধ না থেকে, তিনি এলাকার চায়ের দোকান ও মুদির দোকানেও গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ গড়ে তোলেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে এলাকার সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন তিনি। প্রচারের সময় নিবারণ ঘোষ মোথাবাড়ি এলাকার দীর্ঘদিনের অনুন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে এই অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান। নিবারণ ঘোষ বলেন, “এই এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন প্রয়োজন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মোথাবাড়িকে উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসা হবে।” তাঁর এই প্রচার কর্মসূচিতে দলীয় কর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো, যা এলাকায় নির্বাচনী লড়াইকে আরও জমিয়ে তুলেছে। স্থানীয়দের একাংশও এদিন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং উন্নয়নের আশায় তাঁর প্রতি সমর্থন জানান। সব মিলিয়ে, মঙ্গলবারের এই প্রচার কার্যত মোথাবাড়ি কেন্দ্রে নির্বাচনী আবহকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টেকপাঁজা যুব বৃন্দের উদ্যোগে বঙ্গ ব্যাপি হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতা

*ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টেকপাঁজা যুব বৃন্দের উদ্যোগে বঙ্গ ব্যাপি হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতা* **বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-* পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টেকপাঁজা যুব বৃন্দের উদ্যোগে,স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে সর্ব সাধারণ বঙ্গব্যাপী হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। কুরআন শরীফের মধ্যে ১-১০, ১১-২০, ২১-৩০ পারার মধ্যে তেলাওয়াত করতে হইবে। প্রমান হিসাবে আধার কার্ড ও ফোন নং দিতে দেওয়া হয়।প্রত্যেক প্রতিযোগীকে ৩০০ টাকা দিয়ে নাম নথিভুক্ত করতে হয়,(মূল্য ফেরত যোগ্য)। প্রত্যেক প্রতিযোগীকে ১০ই রমজান অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে। বিচারক হিসেবে এই সভাকে যাঁরা আলোকিত করেন,বঙ্গব্যাপী উল্লেখযোগ্য খ্যাতিসম্পন্য সম্মানীয় ক্বারী সাহেবগণ হলো, ক্বারী আফজাল সাহেব প্রাক্তন শিক্ষক- আক্কেকুয়া মাদ্রাসা, মহারাষ্ট্র সৈয়দ লাবিব আবান সাহেব,ফুরফুরা দরবার শরীফ ক্বারী আব্দুর রহিম সাহেব শিক্ষক মগরাহাট মাদ্রাসা ইহা ছাড়া গ্রামের সম্মানীয় উলামায়ে কেরামগন উপস্থিত ছিলেন। ১ম পুরস্কার 20,000 টাকা ২য় পুরস্কার 15,000 টাকা ৩য় পুরস্কার 10,000 টাকা ৪র্থ পুরস্কার 7,000 টাকা,ইহা ছাড়াও প্রত্যেক প্রতিযোগীকে একটি করে স্মার্ট ওয়াচ উপহার দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ মোঃ শামসুর রহমান মোল্লা পিতা মোঃ সোলেমান মোল্লা হটুগন্জ ডায়মন্ড হারবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা। দ্বিতীয় স্থান হাফেজ মোঃ জুবায়ের সরদার পিতা মোঃ তৌফিক আলী সরদার ঢোলাহাট দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তৃতীয় স্থান হাফেজ মোঃ ইলিয়াস শেখ পিতা মোঃ ইয়াউল শেখ কালিয়া চক মালদা,চতুর্থ স্থান হাফেজ মোঃ আসিম ইমতিয়াজ পিতা মোঃ আবুল হাসান মোল্লা নিশাপুর সংগ্রামপুর দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রচারে- মাওলানা মুকাদ্দিস ইসলাম আমানী।

নির্বাচনী প্রচারে নেমে সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে গেলেন মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত।

*ব্লক সহ সভাপতি সেলিম লস্করের তত্ত্বাবধানে তৃনমূলের প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত এর সঙ্গে নিয়ে নির্বাচিত পথ সভা* *বাইজিদ মন্ডল মগরাহাট পূর্ব:-* নির্বাচনী প্রচারে নেমে সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে গেলেন মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত। সোমবার বিকালে মগরাহাট পূর্ব দুই নম্বর ব্লকের সহ সভাপতি সেলিম লস্করের তত্ত্বাবধানে, কলস অঞ্চলে প্রত্যেক গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। এদিন প্রচারের সময় এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন শর্মিষ্ঠা পুরকাইত। পরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, এলাকায় রাস্তা-ঘাট ও পানীয় জলের মতো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এখনও কিছু মানুষের সমস্যা রয়ে গেছে এবং সব বাড়িতে জল সংযোগ পৌঁছায়নি। নির্বাচনে জয়ী হলে এই সমস্যাগুলিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করার আশ্বাস দেন তিনি। এই প্রচার কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পূর্ব দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি সেলিম লস্কর, ব্লক সভাপতি রুনা ইয়াসমিন, ব্লক যুব সভাপতি বাচ্চু শেখ সহ তৃণমূলের ব্লক,অঞ্চল সহ অন্যান্য কর্মী-সমর্থকেরা।

নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান

*মন্দির ও মসজিদ পরিদর্শন করে নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান,উস্থি অঞ্চলে প্রচার অভিযান জোরদার করতে ও সমর্থন চাইতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছালেন* *বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, তৃণমূল কংগ্রেস তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ তাঁর প্রচার অভিযান আরও জোরদার করেছেন। তিনি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার উস্থি অঞ্চলে সরাসরি জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে ব্যাপক হারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান। এদিন রাধা গোবিন্দ মন্দির ও উস্থি হাট মসজিদ পরিদর্শন করে তার বিধানসভা নির্বাচন প্রচার শুরু করলেন। প্রচার অভিযানের সময় সামিম আহমেদ বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। উস্থি রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করে শুরু করে মসজিদ পরিদর্শন করে ঘোলার মোড় হয়ে সারা উস্থি অঞ্চল পরিদর্শন করেন। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন,দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মুজিবর রহমান মোল্লা,মগরাহাট পশ্চিম ব্লক তৃনমূলের যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সব্যসাচী গায়েন,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৌসিফ আহমেদ সহ ব্লক ও অঞ্চলের সকল নেতৃত্ব বৃন্দ প্রমুখ। পাশাপাশি তৃনমূলের প্রার্থী সামিম আহমেদ এর হাত ধরে বিজেপি,সিপিআইএম,ও কংগ্রেস থেকে প্রায় শতাধিক কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ নেন, যুবকদের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন এবং মহিলাদের সঙ্গে সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে কথা বলেন। তিনি মানুষের সমস্যাগুলি গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং আশ্বাস দেন যে তাঁর জয়ের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ করে পানিও জল ও রাস্তার সমস্যা সেগুলির সমাধান করা হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরে সামিম আহমেদ বলেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদা সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করেছে এবং উন্নয়নের এই গতি বজায় রাখবে।

পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক

*পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভাতে ৬০ হাজার বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপহার পৌঁছে দেওয়া শুরু করলেন দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা* *বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* উৎসবের মরশুমে “কল্পতরু” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তার লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের গরিব অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য পুজোর উপহার পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত সাত টি বিধানসভা এলাকায় তার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গরিব মানুষের হাতে পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন জামা কাপড় তুলে দেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় প্রায় দুই লক্ষের বেশি মানুষের কাছে প্রিয় সাংসদের এই শারদীয়া উপহার পৌছে গিয়েছে। এদিন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডায়মন্ড হারবার এলাকার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে এই উপহার। সারা বিধান সভার পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নেতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে দুর্গা পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ, এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন ডায়মন্ড হারবার টাউন তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,টাউন যুব সভাপতি পুষ্পেন্দু মন্ডল,পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রাজশ্রী দাস,ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মিজানুর রহমান সহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও অন্যান্যরা।পুজোর মুখেই এই উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ।

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প ভারত বর্ষের অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান অখিলভারত হিন্দুমহাসভা এবং বাংলার সৌহার্দ্যের যৌথ উদ্যোগে বাংলার ঢাক শিল্প এবার ইউনেস্কো ও বিশ্ব দরবারে স্থান পেতে চলেছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর উপস্থিতিতে কলকাতার বিখ্যাত শোভাবাজার রাজবাড়িতে হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের সদস্যরা উপস্থিত থেকে আজ বাংলার ঢাক শিল্পকে বিশ্ব প্রাঙ্গণে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিলেন । শুধু তাই নয় বাংলার মহিলা ও পুরুষ ঢাকি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন জীবনের দুঃখ যন্ত্রণার কথা এবং সেখান থেকে তাদের উত্তরণের উপায় অন্বেষণের প্রস্তাব নিয়ে সংগঠন দুটির যৌথ কমিটির সদস্যরা গণডেপুটেশন দিতে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল সি.ভি.আনন্দ বোস এবং সর্বোপরি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার সাথে ঢাক বাদ্য একেবারে সম্পৃক্ত । ঢাক বাদ্যের উপস্থিতি ছাড়া বাংলার ঘরের মেয়ে উমার আরাধনা অসম্পূর্ণ । শুধু তাই নয় রামায়ণে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণ বধের আগে যখন দেবী দুর্গার আরাধনা করছেন বা রক্ষসরা রাবণের ভাই কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য প্রয়াস করছে তখনও ঢাক বাদ্যের উল্লেখ রয়েছে । পরবর্তী কালে রণবাদ্য হিসেবে এবং সরকারি নির্দেশিকা প্রচারের সময় ঢাকের উল্লেখ পাওয়া যায় । এহেন বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্রটি আজও তার কুলীন আসন পায়নি এবং বাংলার লোকসংস্কৃতির অংশ বা লোকবাদ্য হিসেবেই থেকে গিয়েছে । আমরা চাই ঢাক বাদ্য এবং ঢাকি বন্ধুদের প্রকৃত সম্মান প্রদান করে তাদের আর্থসামাজিক জীবনের সার্বিক উন্নতি সাধন । ঢাকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংগঠন বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকার বলেন আমাদের গরীব ঢাকি মায়েরা এবং ভায়েরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই পূজার সময়ের জন্য । তবুও অনেকসময় বিভিন্ন লোভী ব্যক্তি বা সংস্থার দ্বারা আমরা ঢাকিরা প্রতারিত হই । পূজার জৌলুসের পাশে ঢাকিদের জীবন ওই প্রদীপের নিচে থাকা অন্ধকারের মতোই কারণ আমরা আজও যথার্থ সম্মান ও রুজিরুটির অধিকার থেকে বঞ্চিত । প্রশাসনিক আধিকারিক আশুতোষ মজুমদার বলেন আমি ছোট বেলায় মা বাবাকে হারিয়েছি, কিন্তু হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের প্রচেষ্টায় আজ ঢাকি মা ও বাবাদের জন্য যতটুকু করতে পারছি সেটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে কোনভাবেই সম্ভব নয় । সমাজসেবী সমীরণ চৌধুরী বলেন শিল্প ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই ঢাকি ভাইদের পাশে অর্থনৈতিক ভাবে দাঁড়ানো প্রয়োজন । হিন্দুমহাসভার অফিস সেক্রেটারি অনামিকা মন্ডল বলেন রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে ও বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকারের ঐকান্তিক প্রয়াসে আগামী দিনে আমরা রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের প্রশাসনিক প্রধান ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর কাছে বাংলার ঐতিহ্য ঢাক শিল্পকে প্রকৃত সহযোগিতা ও সম্মান প্রদানের প্রয়াসে দরবার করতে চলেছি । আজ অনুষ্ঠানে পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের সুযোগ্য পুত্র বিশিষ্ট তবলা বাদক পণ্ডিত মল্লার ঘোষ উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাকিদের আরো ভালো ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন । শোভাবাজার রাজবাড়ির পক্ষ থেকে এবারের পূজোর দায়িত্বে থাকা দেবরাজ মিত্র ও ডাক্তার পার্থসারথি মুখার্জী আজ সমগ্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাক শিল্পের উন্নতির জন্য অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের নেওয়া এই ঐতিহাসিক যৌথ প্রয়াসকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানালেন ।

ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে।

মালদা: ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে। সরকারি অনুদানের দুর্গাপূজা হবে প্রায় ২০০টি। ইংরেজবাজার শহরের ১৯০ টি ক্লাব কে সরকারি আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয় এদিনের অনুষ্ঠান থেকে। এবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন আবেদনকারী পূজা উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য দশ হাজার টাকা দেওয়ার। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্লাব কর্তাদের হাতে সরকারি অনুদান চেক তুলে দেওয়া হয়। সরকারি অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং, ডিএসপি ডিএনটি লিবাং তামাং, ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস, ইংরেজবাজার থানার আইসি বাপন দাস, শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও ক্লাব কর্তারা।কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। ক্লাবের পাশাপাশি মহিলারাও অদ্যোগ নিয়ে পুজোর আয়োজন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ক্লাবগুলিকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা সরকারি অনুদান প্রদান করা হবে। ইংরেজবাজার শহরে ১৯০ টি ক্লাব কর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয় সরকারি অনুদান।

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪ মালদা: মালদা দিক থেকে কালিয়াচকগামী রুটে জালালপুর ডাঙ্গা পেরিয়ে ঘটল এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্রুতগতিতে আসা একটি মারুতি গাড়ি পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি টোটোকে। ন্যাশনাল হাইওয়েতে টোটোর বাড়াবাড়ি প্রায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যদিও আইনত জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ, তবুও দিন দিন বাড়ছে টোটোর দাপট। দুর্ঘটনার সময় টোটোতে ছিলেন চালকসহ তিনজন যাত্রী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের। নিহতরা সুজাপুরের ব্রোমোত্তর ও বামুনগ্রামের বাসিন্দা। গুরুতর জখম হন আরও দুই যাত্রী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা সকলেই সুজাপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, মারুতি গাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিরাও আহত হন। তাঁদের কাছ থেকে নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে চেক প্রদান করলেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন।

মালদা:- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে চেক প্রদান করলেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। সোমবার কালিয়াচক-২ ব্লকের সুকান্ত ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মোথাবাড়ি এলাকার মোট ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন জলপথ ও সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সার্কেল ইনস্পেক্টর গৌতম চৌধুরী, কালিয়াচক-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঞ্জলি মণ্ডল, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বিপ্রতীম বসাক, মোথাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শ্যাম সুন্দর সাহা এবং থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা সহ জনপ্রতিনিধিরা ও ক্লাব সদস্যরা। এদিন মূলত দুর্গাপুজো উপলক্ষে পুজো কমিটিগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মোথাবাড়ি থানার ওসি শ্যাম সুন্দর সাহা।

বছরের পর বছর পেমেন্ট বকেয়া” দুর্গা পুজোর আগে আলিপুরে ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার PHE ঠিকাদাররা

বছরের পর বছর পেমেন্ট বকেয়া” দুর্গা পুজোর আগে আলিপুরে ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার PHE ঠিকাদাররা বাইজিদ মন্ডল, আলিপুর:- জল জীবন সহ অন্যান্য কাজের দীর্ঘ বকেয়া পেমেন্টের দাবিতে ২২ই সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ থেকে তিন দিন আলিপুর ডিভিশনের নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে ধর্না ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করলেন দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা PHE কনটেক্টার্স ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। এখানে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এই অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন। এদিন দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা PHE কনটেক্টার্স ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানান, আমরা PHE Dte-এর সংস্থা, আলিপুর ডিভিশন PHE ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির অধীনে এবং মূল সংস্থা Le. অল বেঙ্গল PHE ঠিকাদার সমিতি (সিভিল) জল জীবন মিশন নির্বাচন, গঙ্গা সাগর মেলা ও অন্যান্য প্রকল্পের মতো বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সাথে জড়িত এবং এই কাজের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বপ্নের প্রকল্প জল জীবন মিশন। আমরা ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে কাজের জন্য আমাদের প্রায় ৬ হাজার কোটির বেশি বকেয়া অর্থ পাচ্ছি না। এর ফলে ২০২৫ সালে এই বছর তীব্র আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের। সমস্ত সংস্থা তাদের চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতা পূরণ করেছে, তবুও অনেকেই মাসের পর মাস এবং কিছু ক্ষেত্রে বছরের পর বছর ধরে অর্থের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির ফলে অসংখ্য পরিবারের জীবিকা নির্বাহের উপর উল্লেখযোগ্য আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং ছোট ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত ঠিকাদারদের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে, যার ফলে তারা অনাদায়ী ব্যাংক ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে আছে,ইতি মধ্যে কয়েকজন ঠিকাদার অতিরিক্ত ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাও গেছে। আমাদের কাজের দীর্ঘ বকেয়া পেমেন্টের দাবিতে তিন দিন দুপুর ১২.০০ টা থেকে আলিপুর ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করলাম। এতে সুরাহ না হলে তারা দুর্গা পূজার পরে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।



Ads






অনুসন্ধান







Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 129083