Thursday 23 July







প্রচারের ব্যস্ততা ছেড়ে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচালেন মানিকচকের প্রার্থী মোঃ তৌহিদুর রহমান

2026-04-13 | রাজ্য,Viral ,কালিয়াচক, মালদা,পশ্চিমবঙ্গ,শিরোনাম | Kaliachak Sangbad | Views : 51

মোঃ আবুল কাশিম
শেষ আপডেট: 2026-04-13

মোঃ আবুল কাশিম মালদা :- মানবিকতার এক অনন্য নজির গড়লেন মানিকচক বিধানসভার আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী মোঃ তৌহিদুর রহমান। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে অধিকাংশ নেতার প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ভোট প্রচার, জনসভা এবং রাজনৈতিক কৌশল, সেখানে একজন প্রার্থীর এমন মানবিক উদ্যোগ সত্যিই বিরল এবং প্রশংসনীয়। “রক্তদান মানেই জীবনদান” এই বহুল প্রচলিত কথাটি আজ বাস্তব রূপ পেল মালদা জেলায়। আজকের দিনটি ছিল নির্বাচনী প্রচারের দিক থেকে অত্যন্ত ব্যস্ত একটি দিন। মানিকচক বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী মোঃ তৌহিদুর রহমান। কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একের পর এক সভা, জনসংযোগ এবং পথসভায় অংশ নিচ্ছিলেন তিনি। চারিদিকে নির্বাচনের উত্তেজনা, মানুষের ভিড় এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই হঠাৎ একটি ফোন কল তাঁর দিনের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, একজন গুরুতর অসুস্থ রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন। পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংকটজনক, এবং সময়মতো রক্ত না পেলে বড় বিপদের আশঙ্কা ছিল। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ব্যস্ততার অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারেন, বিশেষ করে যখন সামনে বড় রাজনৈতিক দায়িত্ব থাকে। কিন্তু মোঃ তৌহিদুর রহমান সেই পথে হাঁটেননি। এক মুহূর্তও দেরি না করে তিনি নিজের চলমান প্রচার কার্যক্রম স্থগিত করেন। উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের অবাক করে দিয়ে তিনি সরাসরি রওনা দেন মালদা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল-এর উদ্দেশ্যে। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিজেই রক্তদান করেন। এই মানবিক উদ্যোগের ফলে বাঁচে এক মূল্যবান জীবন। রোগীর নাম দাসু দেব শর্মা, যিনি কালিয়াগঞ্জ, উত্তর দিনাজপুর-এর বাসিন্দা। তাঁর পরিবার এই কঠিন সময়ে এমন সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁরা ভাবতেই পারেননি যে একজন রাজনৈতিক প্রার্থী এত ব্যস্ততার মাঝেও সবকিছু ছেড়ে ছুটে এসে এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। পরিবারের এক সদস্য বলেন, “আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কোথা থেকে রক্ত পাব, কীভাবে ব্যবস্থা করব কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। ঠিক সেই সময় মোঃ তৌহিদুর রহমান নিজে এসে রক্ত দিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়ালেন। আমরা তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।” এই ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত অন্যান্য মানুষজন এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁর এই উদ্যোগের প্রশংসায় মুখর হয়ে ওঠেন। অনেকেই বলেন, আজকের দিনে যেখানে রাজনীতি প্রায়শই শুধুমাত্র ক্ষমতা এবং প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, সেখানে এমন মানবিক দৃষ্টান্ত সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কাজ শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিই উজ্জ্বল করে না, বরং সাধারণ মানুষের কাছে রাজনীতির প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত জননেতার পরিচয়, এবং মোঃ তৌহিদুর রহমান সেই দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। যখন অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা ভোট প্রচার নিয়ে ব্যস্ত, তখন এই ঘটনা একটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়। এটি দেখায় যে রাজনীতি শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি মাধ্যমও হতে পারে। মোঃ তৌহিদুর রহমানের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। স্থানীয় মানুষের কথায়, “এমন মানবিক নেতা আজকের দিনে সত্যিই খুব কম দেখা যায়। তিনি শুধু ভোট চাইতে আসেননি, তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াতে জানেন।” সব মিলিয়ে, এই ঘটনা শুধু একটি রক্তদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং প্রকৃত নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।


https://www.facebook.com/share/v/1CaBXkqmJF/
মঙ্গলবাড়ী চৌরঙ্গী মোড়ে নবনির্মিত ট্রাফিক সিগন্যাল ঘরের উদ্বোধন

পুরাতন মালদা,বুধবার:- পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ী চৌরঙ্গী মোড়ে নবনির্মিত ট্রাফিক সিগন্যাল ঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো। বুধবার দুপুরে ফিতে কেটে এই ট্রাফিক সিগন্যাল ঘরের শুভ সূচনা করেন মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হাসান, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঞ্জেস সুব্বা, মালদা থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত এই ট্রাফিক সিগন্যাল ঘর চালু হওয়ায় মঙ্গলবাড়ী চৌরঙ্গী মোড়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত হবে এবং পথ নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।প্রয়োজনে এটি আরও সংবাদপত্রের ভাষায় বা টিভি নিউজের স্ক্রিপ্টের মতো করে সাজিয়ে দিতে পারি।

অভিনব উপায়ে মোবাইল পাচারের ছক ভেস্তে দিল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ।

মালদা: অভিনব উপায়ে মোবাইল পাচারের ছক ভেস্তে দিল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ। এক ক্যুরিয়ার সংস্থার মাধ্যমে দুটি পার্সেল বক্স করে। প্রায় একশোটি মোবাইল পাচারের চেষ্টার পর্দাফাঁস হল পুলিশি তৎপরতায়। ঘটনা প্রসঙ্গে বুধবার মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানান, বুধবার কালিয়াচক থানার পুলিশ বিশেষ সূত্রে খবর পায় অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে দুটি পার্সেল বক্সের মাধ্যমে অসংখ্য মোবাইল পাচারের চেষ্টা হচ্ছে। সেই মতো কালিয়াচক থানার পুলিশ কালিয়াচক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস করতে তৎপর হয়ে ওঠে। কালিয়াচকের চৌরঙ্গি এলাকা থেকে এক ডেলিভারি বয়কে আটক করে। তার কাছে থাকা দুটি পার্সেল বক্স থেকে বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানীর একশোটি মোবাইল উদ্ধার হয়। এরপর পুলিশ ওই ডেলিভারি বয়ের কাছে ডেলিভারি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে বৈষ্ণবনগর থানার পারদেওয়ানাপুর এলাকা থেকে সোহেল রানা নামে এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বুধবার ধৃতকে দশ দিনের পুলিশি হেপাজতের আবেদন জানিয়ে পেশ করা হয় মালদা জেলা আদালতে।

আগামী দিনে জাতীয় সড়ক বা রাজ্য সড়কে কোনও টোটো চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

মালদা: আগামী দিনে জাতীয় সড়ক বা রাজ্য সড়কে কোনও টোটো চলাচল করতে দেওয়া হবে না। নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। বুধবার মালদা জেলা ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে রথবাড়ি মোড়ে বৈধ টোটো চালকদের সূচনাপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হোসেন, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঙ্গেস সুব্বা-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন বৈধ টোটো চালকদের হাতে পরিচয়-সংবলিত সূচনাপত্র তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার জানান, মালদা শহরে টোটোর সংখ্যা শহরের ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। পাশাপাশি বহু অবৈধ টোটো চলাচল করছে, একজনের নামে একাধিক টোটো ভাড়ায় চলছে এবং অপ্রাপ্তবয়স্করাও টোটো চালাচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণে আনতেই বৈধ টোটো চালকদের নাম, মোবাইল নম্বর, গাড়ির নম্বর, আধার নম্বর-সহ তথ্য সম্বলিত সূচনাপত্র দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে টোটো চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে, যানজট কমবে এবং শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

অভিনব উপায়ে মোবাইল পাচারের ছক ভেস্তে দিল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ।

মালদা: অভিনব উপায়ে মোবাইল পাচারের ছক ভেস্তে দিল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ। এক ক্যুরিয়ার সংস্থার মাধ্যমে দুটি পার্সেল বক্স করে। প্রায় একশোটি মোবাইল পাচারের চেষ্টার পর্দাফাঁস হল পুলিশি তৎপরতায়। ঘটনা প্রসঙ্গে বুধবার মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানান, বুধবার কালিয়াচক থানার পুলিশ বিশেষ সূত্রে খবর পায় অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে দুটি পার্সেল বক্সের মাধ্যমে অসংখ্য মোবাইল পাচারের চেষ্টা হচ্ছে। সেই মতো কালিয়াচক থানার পুলিশ কালিয়াচক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস করতে তৎপর হয়ে ওঠে। কালিয়াচকের চৌরঙ্গি এলাকা থেকে এক ডেলিভারি বয়কে আটক করে। তার কাছে থাকা দুটি পার্সেল বক্স থেকে বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানীর একশোটি মোবাইল উদ্ধার হয়। এরপর পুলিশ ওই ডেলিভারি বয়ের কাছে ডেলিভারি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে বৈষ্ণবনগর থানার পারদেওয়ানাপুর এলাকা থেকে সোহেল রানা নামে এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বুধবার ধৃতকে দশ দিনের পুলিশি হেপাজতের আবেদন জানিয়ে পেশ করা হয় মালদা জেলা আদালতে।

দলিয় পতাকা ছাড়াই শহিদ পালন কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরীর

মালদা : দলিয় পতাকা ছাড়াই শহীদ দিবস পালন করলেন বর্ষীয়ান তৃনমূল নেতা তথা ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী। মঙ্গলবার ২১ জুলাই পালন নিয়ে যখন ছন্নছাড়া কর্মী সমর্থকরা তখন দলিয় পতাকা ছাড়াই শহীদ দিবস পালনের ঘটনা তাৎপর্য পূর্ণ। এদিন দলিয় কর্মীদের নিয়ে পৌরসভা সংলগ্ন শহীদ বেদীতে শহীদদের উদ্দেশ্যে পুষ্পস্তবক দিয়ে তর্পণ করলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী। কেন দলিয় পতাকা নেই এই প্রশ্নের উত্তরে কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন দলই যখন ছন্নছাড়া। যেকারনে এবারই প্রথম ২১ জুলাই অনুষ্ঠানে কলকাতায় না গিয়ে নিজের জেলাতে পালন করলেন কৃষ্ণেন্দু। তবে দেখা যায়নি অন্য কোনো তৃনমূল নেতাদের।

৪৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন পৌরবাজার ব্যবসায়ী সমিতির।মঙ্গলবার দুপুরে সাধারণ সভার পর ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

মালদা : ৪৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন পৌরবাজার ব্যবসায়ী সমিতির।মঙ্গলবার দুপুরে সাধারণ সভার পর ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সমিতির ছয়টি ব্লকের মধ্যে পাঁচটিতে ভোট হয়, একটি ব্লকে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচিত হন। ভোট শেষে মোট ২১ সদস্যের নতুন পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়। পরে এই কমিটির মধ্য থেকেই বিভিন্ন পদাধিকারী নির্বাচন করা হয়। আগামী তিন বছর নতুন কমিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করবে। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিল মালদা মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্সের এক্সিকিউটিভ কমিটি। উপস্থিত ছিলেন, চেম্বারের সভাপতি অসিত কুমার সাহ, সহ-সভাপতি কমলেশ বিহানি, যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল সরকার, কোষাধ্যক্ষ বিমল চন্দ্র দাস, প্রাক্তন সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডু-সহ পরিচালন সমিতির অন্যান্য সদস্যরা। এদিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

আদিবাসী মহিলাকে ডাইনি অপবাদে মারধরের অভিযোগ! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও, ডাইনি সন্দে মহিলা ও তার পরিবার ভিটে ছাড়া নিজের গ্রামে ঢুকতে পারছে না সাত জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের তদন্তে মালদা থানার প

আদিবাসী মহিলাকে ডাইনি অপবাদে মারধরের অভিযোগ! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও, ডাইনি সন্দে মহিলা ও তার পরিবার ভিটে ছাড়া নিজের গ্রামে ঢুকতে পারছে না সাত জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের তদন্তে মালদা থানার পুলিশ মালদহ: ডাইনি অপবাদে আদিবাসী মহিলাকে মারধরের অভিযোগ গ্রামের বেশ কয়েকজন মোড়ল মাতব্বরদের বিরুদ্ধে। একবিংশ শতাব্দীতেও মধ্যযুগীয় বর্বরতা। ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদার ভাবুক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একটি গ্রামে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় মালদা থানায় সাতজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার। অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই আদিবাসী মহিলা ও তার স্বামীকে ডেকে চলে বেধরক মারধর। মোড়ল মাতব্বরদের নির্দেশে নাকি আদিবাসী দম্পতিকে মাঝখানে রেখে ডাইনির নিদান দেওয়া হয়। শুধু অপবাদ নয়, ডাইনি সন্দেহে তাদের ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের ফলে নির্যাতিতা মহিলাকে জুতোপেটা পর্যন্ত করা হয়। মারধরের সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অবশেষে নির্যাতিতা মহিলার ভাই ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে এবং বাঁচাতে গেলে তাকেও বেধড়ক ভাবে মারধর করা হয়। সঙ্গে ছাড় পায়নি তাদের সন্তানও। নিদান দেওয়া হয় গ্রাম ছাড়ার। ঘটনার খবর পেয়ে নির্যাতিতা দম্পতিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় মালদা থানার পুলিশ। মারধরের ফলে নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বাম চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে নির্যাতিতা দম্পতি তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রাম ছাড়া রয়েছেন। গ্রামে ঢুকলে নাকি তাদেরকে খুন করা হবে এমনটাই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়ে প্রাণের ভয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয়েছে নির্যাতিতা পরিবারকে। তাই নিজেদিতা পরিবার টি ইতিমধ্যেই মালদা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। তারা নিজের গ্রামে নিজের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি পুলিশ ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে l বিজেপি বিধায়ক গোপাল সাহা জানান আদিবাসী মহিলাকে ডাইনি সন্দেহে যে মারধরের ঘটনা এ ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় লজ্জা জনক আমি বিষয়টি শুনেছি গ্রামের মানুষদের সাথে কথাও বলেছি। পুলিশকে বলা হয়েছে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে l পাশাপাশি তাদের গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হবে

এই মুহূর্তের চাঞ্চ্যলকর খবর। মালদার গাজোল থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার গাজোল ব্লক যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুরজিৎ সাহা।

মালদা: এই মুহূর্তের চাঞ্চ্যলকর খবর। মালদার গাজোল থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার গাজোল ব্লক যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুরজিৎ সাহা। ডাকাতির চেষ্টার ষড়যন্ত্রমূলক কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গাজোল থানার পুলিশ এক ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই নাকি গাজোল ব্লক যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুরজিৎ সাহার নাম উঠে আসে। সেই মতো শনিবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার ধৃতকে পেশ করে মালদা জেলা আদালতে। যদিও ধৃত গাজোল ব্লক যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনায় গাজোল বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণের অভিযোগ, ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি সম্ভবত আর্মস কেসে অভিযুক্ত। তাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। আইনানুযায়ী পুলিশ তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

পুরাতন মালদায় কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিলর(K.S.D.C)এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

রবিবার দুপুরে পুরাতন মালদার নারায়ণপুর আটমাইল সংলগ্ন এলাকায় একটি বেসরকারি লজে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিল (কে.এস.ডি.সি)-এর উদ্যোগে মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কাউন্সিলরদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।সভায় তিন জেলার সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে কীভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, সে বিষয়েও উপস্থিত প্রতিনিধিরা মতামত তুলে ধরেন। সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ কর্মসূচি, জনসংযোগ বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক বিস্তার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিলর এর কেন্দ্রিয় সভাপতি তপতী রায় মল্লিক,আসামের জেনারেল সেক্রেটারি প্রফুল্ল রায়,রাজ্য ফাইনান্স এর সম্পাদক সতীশ রাজবংশী,মালদা জেলা সভাপতি প্রতিমা সিংহ,দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি রুবেল সরকার,উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি ভানু প্রকাশ সিংহ,মালদা জেলা ফাইনান্স এর সম্পাদক বিবেক সরকার সহ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বহু কাউন্সিলর এবং সংগঠনের পদাধিকারীরা। এদিন সভার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন গান ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে উপস্থিতদের মনোরঞ্জন করা হয়, যা অনুষ্ঠানে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী দিনে তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আরও জোরদারভাবে আন্দোলন গড়ে তোলা এবং তিন জেলায় সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সভায় উপস্থিত বিশিষ্টজনেরাও সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে NEET-UG 2026-এ সাফল্য, এমবিবিএসে সুযোগ পেল রাজিবুল

*দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে NEET-UG 2026-এ কৃতিত্ব, এমবিবিএসে পড়ার যোগ্যতা অর্জন কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলের ছাত্র রাজিবুল ইসলাম মোল্লার* *বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-* অদম্য ইচ্ছাশক্তি,কঠোর পরিশ্রম এবং অবিচল অধ্যবসায় থাকলে যে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলের কৃতি ছাত্র রাজিবুল ইসলাম মোল্লা। সম্প্রতি প্রকাশিত NEET-UG 2026 পরীক্ষার ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে তিনি এমবিবিএস (MBBS) কোর্সে অধ্যয়নের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। সর্বভারতীয় মেধাতালিকায় তার র‍্যাঙ্ক ২০,৬১৯, যা তার নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং কঠোর পরিশ্রমেরই স্বীকৃতি। রাজিবুলের এই সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত কৃতিত্ব নয়, বরং কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল এবং বায়তুল হিকমা মিশন-এর কাছেও এক গর্বের মুহূর্ত। সাধারণ আর্থিক অবস্থার পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, মেধা ও অধ্যবসায় থাকলে প্রতিকূলতা কখনও সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। রাজিবুল মন্দিরবাজার ব্লকের আচনা হাই স্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করে ২০২৩ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫০০-র মধ্যে ৪৫০ নম্বর পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।পরবর্তীকালে নিরলস প্রস্তুতির মাধ্যমে তিনি NEET-UG 2026-এ এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন। শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, বিদ্যালয়ের প্রাত: সমাবেশে রাজিবুলকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন তার পিতা নফুর আলী মোল্লা, বিশিষ্ট সমাজসেবী মেহতাব উদ্দিন গাজী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দন কুমার মাইতি বলেন, “সাত ভাইবোনের মধ্যে ষষ্ঠ সন্তান রাজিবুল তার পরিবার, বিদ্যালয় এবং সমগ্র এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে সে মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করবে এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রাজিবুলের মা মারিয়াম বিবি একজন গৃহবধূ। বাবা নফুর আলী মোল্লা গ্রামের একটি ছোট্ট দোকান পরিচালনা করে দশ সদস্যের সংসার চালানোর পাশাপাশি সন্তানের শিক্ষার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সেই ত্যাগ ও সংগ্রামেরই সার্থক পরিণতি আজকের এই সাফল্য। রাজিবুলের এই অসামান্য কৃতিত্বে এলাকাবাসী, শুভানুধ্যায়ী,শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সকলের প্রত্যাশা, তিনি ভবিষ্যতে একজন সফল ও মানবিক চিকিৎসক হয়ে সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।



Ads







অনুসন্ধান







Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 145545