Saturday 19 September







মালদা জেলায় বাজার থেকে সবুজের তুলনায় গেরুয়া আবির বেশি বিক্রি হওয়ায় জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলেl

2026-05-02 | মালদা,পশ্চিমবঙ্গ,রাজনীতি , | Kaliachak Sangbad | Views : 437


*রাজ্যের দু দফা নির্বাচন ইতিমধ্যেই শান্তিপূর্ণ ভাবে ও নির্বিগ্নে হয়েছে l রাজ্যেএবার পরিবর্তন হবে না প্রত্যাবর্তন তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে চার মে ভোট গণনার দিন l ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দারুন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে l আর এরই মধ্যে মালদা জেলায় বাজার থেকে সবুজের তুলনায় গেরুয়া আবির বেশি বিক্রি হওয়ায় জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলেl আবির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা l তৃণমূলের দাবি ইতিমধ্যেই আমাদের তৃণমূল কর্মী নেতৃত্বরা সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি ফলে বাজারে নেই l বিজেপি এই নিয়ে রাজনীতি করছেl যদিও তৃণমূলকে পাল্টা দিয়েছে বিজেপিও সবাই জানে এবার গোটা রাজ্যে গেরুয়া আবির এর ঝড় উঠবে* l মালদা জেলায় নেতাজি কমার্শিয়াল মার্কেট সেখানে দেখা যাচ্ছে যারা আবির ব্যবসায়ী তাদের দোকানে গেরুয়া আবির বেশি পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে সবুজ আবির তেমন বিক্রি হচ্ছে না l চাহিদা তুলনাই গেরুয়া আবি র সেভাবে পাচ্ছে না l আবির ব্যবসায়ী সমু সেন ,অশোক সাহা , নীতিন সাহা , জানান হোলির সময় আবিরের যে চাহিদা থাকে এইবার ভোটে তার থেকে বেশি গেরুয়া আবিরের চাহিদা বাড়ছে l প্রতিদিন 25 থেকে 30 প্যাকেট আবির গেরুয়া বিক্রি হচ্ছে। সেই তুলনায় সবুজ আবির বিক্রি হচ্ছে না l আবিরের এত চাহিদা যে কলকাতার বাজারেও গেরুয়া আবির আমরা পাচ্ছি না l যার ফলে যতক্ষণ রয়েছে ততক্ষনই গেরুয়া আবির আমরা দিতে পারব তারপর আর না l এবার গেরুয়া আবিরের দামও প্রতি ১০ কেজি প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে বেড়েছে বেশি দাম দিয়েও আবির কিনছেন ক্রেতারা l গেরুয়া আবির এর দাম দেড়শ টাকা প্রতি ১০ কেজির প্যাকেট ছিল কিন্তু চাহিদা যেভাবে বেড়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রতি ১০ কেজির প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে দাম বেড়েছে l তবে সবুজ আবিরের দাম বাড়েনি। প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন গেরুয়া আবির কিনতে এইভাবে চাহিদা বাড়লে গেরুয়া আবির বাজারে আর পাওয়া যাবে না l আর এই আবির কেনাবেচা কে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু জানান আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের হাই কমান্ড সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ইতিমধ্যেই দলের কর্মী নেতৃত্বদের নির্দেশ দিয়েছেন যে সবুজ আবির বাজার থেকে সংগ্রহ করে রাখতে সেক্ষেত্রে আমরা আগে থেকেই সবুজ আবির সংগ্রহ করে রেখেছি। এছাড়াও রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্যাসেট ও ডিজে রাখতে বলেছেন l আমরা ইতিমধ্যেই সমস্ত কর্মীরা সরাসরি বাজার থেকে সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি সুতরাং যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা এই কথা বলছেন আমার মনে হয় তারা বিজেপি সমর্থিত। আজকে গোটা পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিজেপির কোন কর্মী নেই আজকে বিজেপি এই সেনাবাহিনী ,সাজুয়া গাড়ি অবজারভার কে দিয়ে নির্বাচন করছে l বিজেপির পায়ের তলার মাটি নেই। চার মে চতুর্থবারের জন্য মমতা ব্যানার্জি সরকারি আসছেন চার মেয়ে এত আকাশে বাতাসে সবুজ আবির উড়বে গেরুয়া আবির দেখাই যাবে না দক্ষিণ মালদা বিজেপির সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী জানান আজকের তৃণমূল কর্মীদের নেতৃত্বরা আগের থেকে সবুজ আবির কিনে রাখছে। আমরা আমাদের দলের কর্মীদের নেতাদেরকে এ সমস্ত কথা বলি না l কারণ চার মে গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড় উঠবেl আকাশে গেরুয়া আবির ছেয়ে যাবে l আজকে তৃণমূলের নেতারাই আমাদেরকে ফোন করছে গেরুয়া আবীর মাখার জন্য l চার তারিখ ভোট গণনার দিন বারোটার পর থেকে দেখবেন একাধিক তৃণমূলের নেতা রা আমাকে ফোন করবে আমাদের দলে ঢোকার জন্য l তৃণমূলের লোকরাই গেরুয়া আবির কিনে ঘরে রাখছেন l



ইংরেজবাজার পৌরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হলো বিওসি মিটিংয়ে।

মালদা, ১৯ সেপ্টেম্বর : ইংরেজবাজার পৌরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হলো বিওসি মিটিংয়ে। শনিবার দুপুরে পৌরসভার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২৩ জন কাউন্সিলর। তাঁদের উপস্থিতিতেই চেয়ারম্যান পদ থেকে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে পৌরসভার অ্যাক্টিং চেয়ারম্যান হিসেবে ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণ দেখিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। এদিনের বিওসি মিটিংয়ে দুই বিজেপি কাউন্সিলরও উপস্থিত ছিলেন।এই বিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালা জানান, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। শনিবার কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে সেই ইস্তফা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব করা হবে।বিজেপি কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথ জানান, নতুন চেয়ারম্যান নিয়ে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাঁরা সেই সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করবেন।

ভূতনির বানভাসিদের ত্রাণ শিবির পরিদর্শনে মন্ত্রী-সাংসদ ও আধিকারিকরা

মালদা: ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া ভূতনির বানভাসি মানুষের সঙ্গে দেখা করে তাদের সমস্যার কথা শুনলেন রাজ্যের মন্ত্রী, সাংসদ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। শনিবার মানিকচকের মথুরাপুর মডেল হাইস্কুলে গড়ে ওঠা রাজ্য সরকারের ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন মন্ত্রী শংকর ঘোষের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। রাজ্য সরকারের নির্দেশে মালদার রতুয়া ও ভূতনির বন্যা ও ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে প্রতিনিধি দলটি জেলায় এসেছে। শনিবার সকাল থেকে রতুয়ার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের পর মথুরাপুরে এসে ত্রাণ শিবিরের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এই ত্রাণ শিবিরে ভূতনির বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা থেকে বাড়িঘর ছেড়ে কয়েকশো মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁদের থাকা, খাওয়া-দাওয়া সহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীরা আশ্রয় নেওয়া দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁরা সঠিকভাবে খাবার, পানীয় জল, চিকিৎসা ও অন্যান্য পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের হাতে রাজ্য সরকারের তরফে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। দুর্গতদের সমস্যাগুলি শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

পুজোর মুখে মানবিক উদ্যোগ নিলেন ইংরেজবাজার বিধানসভার বিধায়ক তথা মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি।

মালদা: পুজোর মুখে মানবিক উদ্যোগ নিলেন ইংরেজবাজার বিধানসভার বিধায়ক তথা মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি। ফুটপাথ থেকে উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের পুজো পর্যন্ত ব্যবসা করার জন্য অনুমতি দেয়।সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য মালদা শহরের ফোয়াড়া মোড়-সহ সংলগ্ন এলাকার ফুটপাথ থেকে একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। এর ফলে পুজোর মুখে সমস্যায় পড়েন বহু ফুটপাথ ব্যবসায়ী। শনিবার তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে ফোয়াড়া মোড় ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ি।পরিদর্শনের সময় ফুটপাথ ব্যবসায়ীরা কোথায় এবং কীভাবে তাদের ব্যবসা করতে পারবেন, সেই বিষয়ে নিয়ে বিধায়ক আলোচনা করেন। সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও যাতে পুজোর মরশুমে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই জায়গা নির্ধারণের কথা জানান।বিধায়কের এই উদ্যোগে খুশি ফুটপাথ ব্যবসায়ীরা। তারা অম্লান ভাদুড়ির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার নামে জয়ধ্বনি দেন।এই বিষয়ে ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক তথা মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি জানান সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য প্রশাসন ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করেছে। এতে পুজোর মুখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের আবেদনে সাড়া দিয়ে পুজো পর্যন্ত ফুটপাথের একাংশে ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। পুজোর পর ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের অন্যত্র পুনর্বাসনের জন্য বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে মালদার মানিকচকের ভুতনি ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ সকালে মালদা সার্কিট হাউস থেকে রওনা দিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ সহ এক প্রতিনিধি দল।

মালদা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে মালদার মানিকচকের ভুতনি ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ সকালে মালদা সার্কিট হাউস থেকে রওনা দিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ সহ এক প্রতিনিধি দল। সাম্প্রতিক বন্যায় ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় লক্ষাধিক মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। যদিও বর্তমানে ভুতনির কিছু অংশে জল সামান্য কমতে শুরু করেছে, তাও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। বানভাসি মানুষদের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এবং ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়া সচল রয়েছে কিনা তা যাচাই করতেই মন্ত্রীদের এই সফর। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, সেই বিষয়ে মন্ত্রীদের দল সরাসরি স্থানীয় দুর্গত মানুষদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনবেন। উল্লেখ্য, ভুতনির এই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই রাজ্য প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তাদের পাঠিয়ে আকাশপথে পরিস্থিতি পরিদর্শন করিয়েছেন এবং দুর্গতদের সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিলে আরও ৫ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দ করেছেন।

ভূতনির বন্যার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভূতনির সেতু এলাকায় পরিদর্শনে জেলা শাসক সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

ভূতনির বন্যার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভূতনির সেতু এলাকায় পরিদর্শনে জেলা শাসক সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি সমস্ত পরিকাঠামো খতিয়ে দেখলেন জেলাশাসক পুলিশ সুপার সহ বিধায়ক ও অন্যান্য আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ স্বাস্থ্যপরিসেবা নৌকা ব্যবস্থা পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন বিষয়ে খতিয়ে দেখেন সরজমিনে জেলা শাসক। কথা বললেন সমস্ত দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে। পাশাপাশি সাংবাদিক সম্মেলন করে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ভুতনি বানভাসী মানুষের জন্য কি কি ব্যবস্থা করেছে সরকার তার খতিয়ান তুলে ধরেন। দ্রুত ভুতনির বেশ কিছু গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা পুনরায় চালু করা হবে বলে জানাই জেলা শাসক।

নানান কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন পালন

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নানা জনমুখী প্রকল্পের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মবার্ষিকী মন্ডল চার এর উদ্যোগে পালন করা হলো পুরাতন মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে। এদিন সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পলি দাস, উপপ্রধান চিত্তরঞ্জন সরকার, পুরাতন মালদার পঞ্চায়েত সমিতর বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ অসিত সরকার,জেলা পরিষদ সদস্য জোসনা সরকার -সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। পাশাপাশি তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

ইংরেজ বাজার পৌরসভার পদত্যাগী তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৭তম জন্মদিন পালন করলেন।

মালদা: ইংরেজ বাজার পৌরসভার পদত্যাগী তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৭তম জন্মদিন পালন করলেন। গেরুয়া রঙের কেক গেরুয়া রঙের নরম পানীয় দিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ইংরেজ বাজার পৌরসভার সভাকক্ষে পৌরসভার সমস্ত কাউন্সিলর কর্মচারীদের নিয়ে প্রধান মন্ত্রীর জন্মদিন পালন করা হয়। উল্লেখ্য গত সাতদিন আগে ইংরেজ বাজার পৌরসভা থেকে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী পদত্যাগ করেন। দলবদলের হাওয়াতে মালদহ শহরে গুঞ্জন যে কৃষ্ণেন্দু মনে হয় শাসক দলে ঢুকে পরবেন। কিন্তু বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব সবুজ সংঙ্কেত না দেওয়াতে এখন পর্যন্ত অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই কৃষ্ণেন্দুর। এর মধ্যেই প্রধান মন্ত্রীর জন্মদিন পালন তাও আবার গেরুয়া কেক গেরুয়া নরম পানীয় আলাদা তাৎপর্যময়। গেরুয়া রঙের কেক নিয়ে প্রশ্ন করাতে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, গেরুয়া বলে কোনো বিষয় না,আমার কাছে সমস্ত রং সমান।

জলের মাঝে মানবিকতার হাত, তরুণদের উদ্যোগে ভূতনিতে ৫০০ মানুষের মুখে খাবার

নাজমুস সাহাদাত, মানিকচক: চারদিকে থইথই জল। কোথাও উঠোন ডুবে গিয়েছে, কোথাও ঘরের দরজা পর্যন্ত জল। যোগাযোগের পথ বিচ্ছিন্ন হয়ে বহু পরিবার কার্যত জলবন্দি। বন্যার এমন কঠিন পরিস্থিতিতে যখন খাবার ও পানীয় জলের জন্য সমস্যায় পড়েছেন ভূতনির বহু মানুষ, তখন দূর এলাকা থেকে খাবার নিয়ে ছুটে এলেন একদল তরুণ। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রায় ৫০০ মানুষের হাতে খাবার তুলে দিলেন তাঁরা। সামসি ও ভাদু এলাকা থেকে খাবার নিয়ে ভূতনির বিস্তীর্ণ বন্যাকবলিত এলাকায় পৌঁছে যান রিজওয়ান, মতিউল্লাহ, জোবায়ের আহমাদ, আসফাক হোসেন, আসিফ কারিম, তোফায়েল আহমেদ-সহ কয়েকজন যুবক। বন্যার জলে আটকে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছে খাবার তুলে দেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, মানুষের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ। উদ্যোগী যুবকদের কথায়, ‘‘আমরা সামসি এবং ভাদু এলাকা থেকে ভূতনির বন্যাকবলিত এলাকায় খাবার নিয়ে এসেছি। বিপদের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের উদ্দেশ্য।’’ তাঁদের দাবি, এদিন প্রায় ৫০০ মানুষের হাতে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বন্যার জেরে ভূতনির বহু পরিবারের ঘরবাড়ি, চাষের জমি এবং জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্ষা এলেই বন্যার আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের। জল বাড়লে খাবার, পানীয় জল, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। তবে ত্রাণ বিতরণ করেই থামতে চান না এই তরুণেরা। তাঁদের দাবি, প্রতিবছর বন্যার সময় ত্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি ভূতনির বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। নদীভাঙন রোধ, বাঁধের সুরক্ষা, জলনিকাশি ব্যবস্থা এবং বন্যা মোকাবিলায় কার্যকর পরিকাঠামো তৈরির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তরুণদের প্রশ্ন, বছরের পর বছর ধরে বন্যার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে ভূতনির মানুষকে। ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও এই এলাকার বন্যা সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে তাঁদের দাবি। বিধানসভা ও লোকসভায় ভূতনির বন্যা ও নদীভাঙনের সমস্যা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের আরও বক্তব্য, মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। খাবার, পানীয় জল, বাসস্থান, চিকিৎসা ও জীবিকার মতো বিষয়গুলি নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এখন জরুরি। বন্যার সময় সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। তরুণদের কথায়, ‘‘ভূতনির মানুষও স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চান। তাঁদেরও স্বপ্ন রয়েছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন রয়েছে। বছরের পর বছর বন্যার জলে সেই স্বপ্ন ভেসে যেতে পারে না।’’ প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও ভূতনির বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, দুর্যোগের সময় ত্রাণের পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তবেই ভূতনির মানুষের দুর্ভোগ কমবে। বন্যার জলে যখন অসহায় বহু পরিবার, তখন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে খাবার পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগে মানবিকতার বার্তাই সামনে এসেছে। রিজওয়ান, মতিউল্লাহ, জোবায়ের আহমাদ, আসফাক হোসেন, আসিফ কারিম, তোফায়েল আহমেদ-সহ তরুণদের বক্তব্য, ‘‘দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় কর্তব্য।’’

বাড়িতে ঢুকে ২৪ লক্ষ টাকা নগদ এবং প্রায় ২৫ ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা।

মালদা: বাড়িতে ঢুকে ২৪ লক্ষ টাকা নগদ এবং প্রায় ২৫ ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে, ইংরেজবাজার থানার গাবগাছি যদুপুর এলাকায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ইতিমধ্যেই সমস্ত বিবরণ জানিয়ে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জমি ব্যবসায়ী সইদুর রহমান। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে সইদুর রহমান নিচের ঘর থেকে উপরের তলার শৌচালয়ে যান। সেই সময় তাঁর স্ত্রী হাসনা বানু এবং মেয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়িতে ঢুকে তাঁরা দেখতে পান, আলমারিতে রাখা নগদ টাকা ও সোনার গয়না নেই। অভিযোগ, সেই সুযোগেই দুষ্কৃতীরা ঘরে ঢুকে টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের দাবি, আলমারি বা ঘরের কোনও জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়নি। নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা টাকা ও গয়না অনায়াসেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই তাঁদের সন্দেহ, পরিচিত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। ঘটনায় আতঙ্কিত পরিবার থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার ১৬ জন বাংলাদেশী নাগরিক। যাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও ১৫জন মহিলা।

মালদা: দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ১৬ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আজ মালদা টাউন স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। হাওড়া বালুরঘাট এক্সপ্রেসে করে এই বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রথমে মালদা টাউন স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। এরপর পুলিশের গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয় মালদার হোল্ডিং সেন্টারে। পুলিশ সূত্রে খবর ১৬ জন বাংলাদেশিরর মধ্যে দশ জনকে ধরা হয়েছে রাজস্থান থেকে, কেরালা থেকে তিনজন তেলেঙ্গানা থেকে দুজন ও মহারাষ্ট্র থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করে সেই সব রাজ্যের পুলিশ। এরপর তাদের মালদার হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। এই ১৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ১৫ জন মহিলা ও একজন পুরুষ রয়েছেন। এদের বাড়ি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়। মালদা দিয়ে পুশব্যাক করা হবে সূত্রে জানা যায়।



Ads







অনুসন্ধান







Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 157387