Monday 23 March






দীপাবলি উপলক্ষে অন্যতম মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু মাতারবাড়ি ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির, ৫১ সতীপীঠের অন্যতম, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির স্থাপন করেন মহারাজা ধন্য মানিক্য।

2024-10-30 | পশ্চিমবঙ্গ | Kaliachak Sangbad | Views : 112


দীপাবলি উপলক্ষে অন্যতম মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু মাতারবাড়ি ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির, ৫১ সতীপীঠের অন্যতম, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির স্থাপন করেন মহারাজা ধন্য মানিক্য। দীপাবলিতে সেজে উঠেছে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম ত্রিপুরা সুন্দরী দেবী। ত্রিপুরার মহারাজা ধন্য মানিক্য ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির স্থাপন করেন। মন্দিরে দেবী প্রতিমা কষ্টি পাথরে নির্মিত। দীপাবলি উপলক্ষে রাজ্যের অন্যতম মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু গোমতী জেলার, উদয়পুর মাতারবাড়ির ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির। ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির হিসেবেও পরিচিত। দীপাবলি উপলক্ষে রাজ্যের অন্যতম মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির। ৫১ পীঠের একপিঠ ত্রিপুরা সুন্দরী দেবী। ৫২০ বছরের পুরনো এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর দীপাবলি উৎসব ও মেলার আয়োজন হয়। ত্রিপুরার ১৪৫তম মহারাজা ধন্য মানিক্য ১৫০১ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির স্থাপন করেন। মন্দিরে দেবী প্রতিমা কষ্টি পাথরে নির্মিত। দেবীর মূর্তি উচ্চতায় এক মিটার ৫৭ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ৬১ সেন্টিমিটার। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালে ত্রিপুরা রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, সেই সময় ত্রিপুরার রানী কাঞ্চন প্রভাদেবীর অন্যতম শর্ত ছিল কয়েকটি মন্দিরের পরিচালনার ভার সরকারকে নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার শর্তে রাজি হয়। এরপরই রাজ্য সরকার ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। পদাধিকারবলে মন্দিরের সেবায়েত গোমতী জেলার জেলাশাসক। ২০১৮ সালের নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর মাতাবাড়ি মন্দির পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করে রাজ্য সরকার। সরকার পরিচালিত মন্দিরের সমস্ত কাজ হলেও আজকের দিনেও রাজ পরিবারের বর্তমান প্রতিনিধি প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের নামে পুজোর অর্ঘ্য আহুতি হয়। কার্তিক অমাবস্যায় হবে দেবী শক্তির আরাধনা। ঐ দিনের কালীপুজো দীপান্বিতা কালীপুজো নামেও পরিচিত। আলোর উৎসবে মাতোয়ারা গোটা বাংলা। দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ, লেক কালীবাড়ি-সহ বিভিন্ন কালীতীর্থে চলবে কালী পুজো। নিষ্ঠাভরে পুজোপাঠের আয়োজন চলে মন্দিরে মন্দিরে। এমনকি করোনা কালেও কোভিড বিধি মেনেই হয় এই বিশেষ পুজো। প্রতিবছর কালী পুজোয় কুমারী পুজো হয় তারাপীঠে। তবে গোটা ভারতবর্ষের বিভিন্ন মন্দিরের পাশাপাশি প্রদীপের আলোয় সাজানো হয় অসমের নীলাচল পাহাড়ের কামাখ্যা মন্দির চত্বরও। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম ত্রিপুরা সুন্দরী দেবী, দীপাবলিতে জাঁকজমক ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে। নতুন রূপে সাজছে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পীঠস্থান মাতারবাড়ি ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির। পৌরাণিক কাহিনীর অনুযায়ী কথিত আছে, কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথির গভীর রাতে যোগিনী পরিবৃতা হয়ে আবির্ভূতা হন মা কালী৷ জগতে কল্যাণ এবং শান্তি স্থাপনের জন্য ভক্তরা দেবীর আরাধনা করেন৷ তিনি অসুখ বিনাশিনী৷ মহা শক্তিধর শুম্ভ-নিশুম্ভের হাত থেকে ত্রিলোককে রক্ষা করতেই দেবীর সৃষ্টি৷ নরমুণ্ডই দেবীর অলঙ্কার৷ যুদ্ধে পরাজিত সেনাপতিদের মুণ্ডের মালা মা কালীর কণ্ঠের শোভা৷ বলা হয়, পঞ্চাশটি মুণ্ডের এই মালা আসলে জ্ঞানের প্রতীক৷ যে সেনাপতি তাঁর চুল ধরে অপমান করেছিল, তাঁর মুণ্ড দেবী হাতে ধরে থাকেন৷ মৃত সেনাপতিদের হাতের পাতা দেবী কোমরে ধারণ করেন৷ শাস্ত্রমতে এই করতলও জ্ঞানের প্রতীক৷ ভুল করে স্বামী মহাদেবের গায়ে পা তুলে ফেলায় লজ্জিতা রণে উন্মত্ত দেবী৷ ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে নেই ধর্মের বেড়াজাল, পুজো দিতে আসেন মুসলিম এবং খ্রিস্টানরাও। আগরতলা থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে উদয়পুরে অবস্থিত ত্রিপুরা সুন্দরী বা ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির। প্রতি বছর আলোর উৎসব দীপাবলির আগে সেজে ওঠে এই মন্দির। ১৫০১ সালে এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫১ পীঠস্থানের মধ্যে অন্যতম হল এই পীঠটি। কথিত যে ত্রিপুরার এই অংশে দেবীর ডান পায়ের অংশ পড়েছিল। দেবীকে এখানে ষোড়শী রূপে পুজো করা হয়। অর্থাৎ দেবী এখানে ১৬ বছরের এক বালিকা। কালিকা পূরাণে কালীকে দশমহাবিদ্যা রূপে উল্লেখ করা হয়েছে। এই দশমহাবিদ্যা হলেন — কালী, তারা, ষোড়শী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, মাতঙ্গী, বগলা এবং কমলা। চট্টগ্রামের পাহাড় থেকে মায়ের মূর্তি নিয়ে আসা হয়। কথিত, তৎকালীন মহারাজা ধন্য মাণিক্য এখানে নারায়ণের মন্দির প্রতিষ্ঠা করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু মহারাজ এখানে মাতৃ মন্দির প্রতিষ্ঠার স্বপ্নাদেশ পান। সেই সঙ্গে তিনি নির্দেশও পান কোথায় মূর্তি পাওয়া যাবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রামের পাহাড় থেকে প্রথম মায়ের মূর্তি থেকে নিয়ে আসেন মহারাজা। এই মন্দিরের একটি বিশেষত্ব রয়েছে। এখানে মন্দিরের স্থানটি কচ্ছপের পিঠের আকারের। মূল বিগ্রহের পাশে রয়েছে আরও একটি ছোট বিগ্রহ। তাঁকে বলা হয় ছোট মা। মহারাজা যখন যুদ্ধে যেতেন বা শিকারে যেতেন এই ছোট মা’কে সঙ্গে নিয়ে যেতেন পুজো করার জন্য। কারণ- তাঁর মাতৃভক্তি ছিল প্রবল। কষ্টি পাথরের তৈরি এই বিগ্রহকে নিয়েও রয়েছে বেশ কিছু গল্প রয়েছে। মাতারবাড়ি মন্দিরে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান — সব ধর্মের মানুষ আরাধনা করতে পারেন। যে কেউ মাকে শ্রদ্ধা ভরে পুজো করলে মা সেই পুজো স্বীকার করেন। মা তাঁদের মনোস্কামনা পূরণও করেন। আর শুধু আমি নই, এখানকার প্রত্যেক বাসিন্দা এটাই বিশ্বাস করেন। আর সেই কারণে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসেন মায়ের পুজো দিতে। কালীপুজোর সময় তিন দিন ব্যাপী বিরাট মেলা হয় এই মন্দিরকে ঘিরে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীঘির শহর উদয়পুরের প্যাঁড়া বেশ বিখ্যাত। পাশ্ববর্তী আসাম, মেঘালয়, সিকিম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, মহারাষ্ট্র, ব্যাঙ্গালোর, উত্তর প্রদেশ, বিহার, দিল্লি থেকে অগনিত ভক্তদের আগমনের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের বহু সাধু-সন্ন্যাসীরাও অংশ নেন মাতারবাড়ির এই পূর্ণভূমিতে। ভারত তো বটেই, পড়শি দেশ বাংলাদেশ -সহ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, চিন, জাপান, মায়ানমার, নেপাল, ভূটান দেশে সমেত পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমান এই মেলায়। মন্দিরের সামনেই রয়েছে সুবিশাল জলাশয় — কল্যাণ সাগর। এখানে এলেই চোখে পড়বে প্রচুর কচ্ছপ এবং বড় মাছ। কিন



নির্বাচনী প্রচারে নেমে সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে গেলেন মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত।

*ব্লক সহ সভাপতি সেলিম লস্করের তত্ত্বাবধানে তৃনমূলের প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত এর সঙ্গে নিয়ে নির্বাচিত পথ সভা* *বাইজিদ মন্ডল মগরাহাট পূর্ব:-* নির্বাচনী প্রচারে নেমে সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে গেলেন মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শর্মিষ্ঠা পুরকাইত। সোমবার বিকালে মগরাহাট পূর্ব দুই নম্বর ব্লকের সহ সভাপতি সেলিম লস্করের তত্ত্বাবধানে, কলস অঞ্চলে প্রত্যেক গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। এদিন প্রচারের সময় এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন শর্মিষ্ঠা পুরকাইত। পরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, এলাকায় রাস্তা-ঘাট ও পানীয় জলের মতো বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এখনও কিছু মানুষের সমস্যা রয়ে গেছে এবং সব বাড়িতে জল সংযোগ পৌঁছায়নি। নির্বাচনে জয়ী হলে এই সমস্যাগুলিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করার আশ্বাস দেন তিনি। এই প্রচার কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পূর্ব দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি সেলিম লস্কর, ব্লক সভাপতি রুনা ইয়াসমিন, ব্লক যুব সভাপতি বাচ্চু শেখ সহ তৃণমূলের ব্লক,অঞ্চল সহ অন্যান্য কর্মী-সমর্থকেরা।

নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান

*মন্দির ও মসজিদ পরিদর্শন করে নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান,উস্থি অঞ্চলে প্রচার অভিযান জোরদার করতে ও সমর্থন চাইতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছালেন* *বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, তৃণমূল কংগ্রেস তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ তাঁর প্রচার অভিযান আরও জোরদার করেছেন। তিনি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার উস্থি অঞ্চলে সরাসরি জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে ব্যাপক হারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান। এদিন রাধা গোবিন্দ মন্দির ও উস্থি হাট মসজিদ পরিদর্শন করে তার বিধানসভা নির্বাচন প্রচার শুরু করলেন। প্রচার অভিযানের সময় সামিম আহমেদ বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। উস্থি রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করে শুরু করে মসজিদ পরিদর্শন করে ঘোলার মোড় হয়ে সারা উস্থি অঞ্চল পরিদর্শন করেন। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন,দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মুজিবর রহমান মোল্লা,মগরাহাট পশ্চিম ব্লক তৃনমূলের যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সব্যসাচী গায়েন,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৌসিফ আহমেদ সহ ব্লক ও অঞ্চলের সকল নেতৃত্ব বৃন্দ প্রমুখ। পাশাপাশি তৃনমূলের প্রার্থী সামিম আহমেদ এর হাত ধরে বিজেপি,সিপিআইএম,ও কংগ্রেস থেকে প্রায় শতাধিক কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ নেন, যুবকদের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন এবং মহিলাদের সঙ্গে সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে কথা বলেন। তিনি মানুষের সমস্যাগুলি গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং আশ্বাস দেন যে তাঁর জয়ের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ করে পানিও জল ও রাস্তার সমস্যা সেগুলির সমাধান করা হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরে সামিম আহমেদ বলেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদা সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করেছে এবং উন্নয়নের এই গতি বজায় রাখবে।

পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক

*পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভাতে ৬০ হাজার বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপহার পৌঁছে দেওয়া শুরু করলেন দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা* *বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* উৎসবের মরশুমে “কল্পতরু” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তার লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের গরিব অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য পুজোর উপহার পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত সাত টি বিধানসভা এলাকায় তার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গরিব মানুষের হাতে পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন জামা কাপড় তুলে দেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় প্রায় দুই লক্ষের বেশি মানুষের কাছে প্রিয় সাংসদের এই শারদীয়া উপহার পৌছে গিয়েছে। এদিন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডায়মন্ড হারবার এলাকার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে এই উপহার। সারা বিধান সভার পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নেতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে দুর্গা পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ, এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন ডায়মন্ড হারবার টাউন তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,টাউন যুব সভাপতি পুষ্পেন্দু মন্ডল,পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রাজশ্রী দাস,ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মিজানুর রহমান সহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও অন্যান্যরা।পুজোর মুখেই এই উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ।

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প ভারত বর্ষের অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান অখিলভারত হিন্দুমহাসভা এবং বাংলার সৌহার্দ্যের যৌথ উদ্যোগে বাংলার ঢাক শিল্প এবার ইউনেস্কো ও বিশ্ব দরবারে স্থান পেতে চলেছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর উপস্থিতিতে কলকাতার বিখ্যাত শোভাবাজার রাজবাড়িতে হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের সদস্যরা উপস্থিত থেকে আজ বাংলার ঢাক শিল্পকে বিশ্ব প্রাঙ্গণে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিলেন । শুধু তাই নয় বাংলার মহিলা ও পুরুষ ঢাকি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন জীবনের দুঃখ যন্ত্রণার কথা এবং সেখান থেকে তাদের উত্তরণের উপায় অন্বেষণের প্রস্তাব নিয়ে সংগঠন দুটির যৌথ কমিটির সদস্যরা গণডেপুটেশন দিতে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল সি.ভি.আনন্দ বোস এবং সর্বোপরি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার সাথে ঢাক বাদ্য একেবারে সম্পৃক্ত । ঢাক বাদ্যের উপস্থিতি ছাড়া বাংলার ঘরের মেয়ে উমার আরাধনা অসম্পূর্ণ । শুধু তাই নয় রামায়ণে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণ বধের আগে যখন দেবী দুর্গার আরাধনা করছেন বা রক্ষসরা রাবণের ভাই কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য প্রয়াস করছে তখনও ঢাক বাদ্যের উল্লেখ রয়েছে । পরবর্তী কালে রণবাদ্য হিসেবে এবং সরকারি নির্দেশিকা প্রচারের সময় ঢাকের উল্লেখ পাওয়া যায় । এহেন বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্রটি আজও তার কুলীন আসন পায়নি এবং বাংলার লোকসংস্কৃতির অংশ বা লোকবাদ্য হিসেবেই থেকে গিয়েছে । আমরা চাই ঢাক বাদ্য এবং ঢাকি বন্ধুদের প্রকৃত সম্মান প্রদান করে তাদের আর্থসামাজিক জীবনের সার্বিক উন্নতি সাধন । ঢাকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংগঠন বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকার বলেন আমাদের গরীব ঢাকি মায়েরা এবং ভায়েরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই পূজার সময়ের জন্য । তবুও অনেকসময় বিভিন্ন লোভী ব্যক্তি বা সংস্থার দ্বারা আমরা ঢাকিরা প্রতারিত হই । পূজার জৌলুসের পাশে ঢাকিদের জীবন ওই প্রদীপের নিচে থাকা অন্ধকারের মতোই কারণ আমরা আজও যথার্থ সম্মান ও রুজিরুটির অধিকার থেকে বঞ্চিত । প্রশাসনিক আধিকারিক আশুতোষ মজুমদার বলেন আমি ছোট বেলায় মা বাবাকে হারিয়েছি, কিন্তু হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের প্রচেষ্টায় আজ ঢাকি মা ও বাবাদের জন্য যতটুকু করতে পারছি সেটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে কোনভাবেই সম্ভব নয় । সমাজসেবী সমীরণ চৌধুরী বলেন শিল্প ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই ঢাকি ভাইদের পাশে অর্থনৈতিক ভাবে দাঁড়ানো প্রয়োজন । হিন্দুমহাসভার অফিস সেক্রেটারি অনামিকা মন্ডল বলেন রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে ও বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকারের ঐকান্তিক প্রয়াসে আগামী দিনে আমরা রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের প্রশাসনিক প্রধান ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর কাছে বাংলার ঐতিহ্য ঢাক শিল্পকে প্রকৃত সহযোগিতা ও সম্মান প্রদানের প্রয়াসে দরবার করতে চলেছি । আজ অনুষ্ঠানে পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের সুযোগ্য পুত্র বিশিষ্ট তবলা বাদক পণ্ডিত মল্লার ঘোষ উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাকিদের আরো ভালো ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন । শোভাবাজার রাজবাড়ির পক্ষ থেকে এবারের পূজোর দায়িত্বে থাকা দেবরাজ মিত্র ও ডাক্তার পার্থসারথি মুখার্জী আজ সমগ্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাক শিল্পের উন্নতির জন্য অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের নেওয়া এই ঐতিহাসিক যৌথ প্রয়াসকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানালেন ।

ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে।

মালদা: ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে। সরকারি অনুদানের দুর্গাপূজা হবে প্রায় ২০০টি। ইংরেজবাজার শহরের ১৯০ টি ক্লাব কে সরকারি আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয় এদিনের অনুষ্ঠান থেকে। এবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন আবেদনকারী পূজা উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য দশ হাজার টাকা দেওয়ার। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্লাব কর্তাদের হাতে সরকারি অনুদান চেক তুলে দেওয়া হয়। সরকারি অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং, ডিএসপি ডিএনটি লিবাং তামাং, ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস, ইংরেজবাজার থানার আইসি বাপন দাস, শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও ক্লাব কর্তারা।কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। ক্লাবের পাশাপাশি মহিলারাও অদ্যোগ নিয়ে পুজোর আয়োজন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ক্লাবগুলিকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা সরকারি অনুদান প্রদান করা হবে। ইংরেজবাজার শহরে ১৯০ টি ক্লাব কর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয় সরকারি অনুদান।

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪ মালদা: মালদা দিক থেকে কালিয়াচকগামী রুটে জালালপুর ডাঙ্গা পেরিয়ে ঘটল এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্রুতগতিতে আসা একটি মারুতি গাড়ি পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি টোটোকে। ন্যাশনাল হাইওয়েতে টোটোর বাড়াবাড়ি প্রায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যদিও আইনত জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ, তবুও দিন দিন বাড়ছে টোটোর দাপট। দুর্ঘটনার সময় টোটোতে ছিলেন চালকসহ তিনজন যাত্রী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের। নিহতরা সুজাপুরের ব্রোমোত্তর ও বামুনগ্রামের বাসিন্দা। গুরুতর জখম হন আরও দুই যাত্রী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা সকলেই সুজাপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, মারুতি গাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিরাও আহত হন। তাঁদের কাছ থেকে নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে চেক প্রদান করলেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন।

মালদা:- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে চেক প্রদান করলেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। সোমবার কালিয়াচক-২ ব্লকের সুকান্ত ভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মোথাবাড়ি এলাকার মোট ৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন জলপথ ও সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সার্কেল ইনস্পেক্টর গৌতম চৌধুরী, কালিয়াচক-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঞ্জলি মণ্ডল, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বিপ্রতীম বসাক, মোথাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শ্যাম সুন্দর সাহা এবং থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা সহ জনপ্রতিনিধিরা ও ক্লাব সদস্যরা। এদিন মূলত দুর্গাপুজো উপলক্ষে পুজো কমিটিগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মোথাবাড়ি থানার ওসি শ্যাম সুন্দর সাহা।

বছরের পর বছর পেমেন্ট বকেয়া” দুর্গা পুজোর আগে আলিপুরে ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার PHE ঠিকাদাররা

বছরের পর বছর পেমেন্ট বকেয়া” দুর্গা পুজোর আগে আলিপুরে ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার PHE ঠিকাদাররা বাইজিদ মন্ডল, আলিপুর:- জল জীবন সহ অন্যান্য কাজের দীর্ঘ বকেয়া পেমেন্টের দাবিতে ২২ই সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ থেকে তিন দিন আলিপুর ডিভিশনের নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে ধর্না ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করলেন দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা PHE কনটেক্টার্স ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। এখানে দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এই অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন। এদিন দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা PHE কনটেক্টার্স ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানান, আমরা PHE Dte-এর সংস্থা, আলিপুর ডিভিশন PHE ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির অধীনে এবং মূল সংস্থা Le. অল বেঙ্গল PHE ঠিকাদার সমিতি (সিভিল) জল জীবন মিশন নির্বাচন, গঙ্গা সাগর মেলা ও অন্যান্য প্রকল্পের মতো বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সাথে জড়িত এবং এই কাজের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বপ্নের প্রকল্প জল জীবন মিশন। আমরা ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে কাজের জন্য আমাদের প্রায় ৬ হাজার কোটির বেশি বকেয়া অর্থ পাচ্ছি না। এর ফলে ২০২৫ সালে এই বছর তীব্র আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের। সমস্ত সংস্থা তাদের চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতা পূরণ করেছে, তবুও অনেকেই মাসের পর মাস এবং কিছু ক্ষেত্রে বছরের পর বছর ধরে অর্থের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির ফলে অসংখ্য পরিবারের জীবিকা নির্বাহের উপর উল্লেখযোগ্য আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং ছোট ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত ঠিকাদারদের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে, যার ফলে তারা অনাদায়ী ব্যাংক ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে আছে,ইতি মধ্যে কয়েকজন ঠিকাদার অতিরিক্ত ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাও গেছে। আমাদের কাজের দীর্ঘ বকেয়া পেমেন্টের দাবিতে তিন দিন দুপুর ১২.০০ টা থেকে আলিপুর ডিভিশন নির্বাহী বাস্তুকার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করলাম। এতে সুরাহ না হলে তারা দুর্গা পূজার পরে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।

এবার পুজোয় মালদায় দাপিয়ে বেড়াবে 'বুলেট বাহিনী'।

মালদা:- এবার পুজোয় মালদায় দাপিয়ে বেড়াবে 'বুলেট বাহিনী'। যেকোনও ধরনের দুষ্কৃতিমূলক কাজকর্ম বা অপরাধ দমনে পুলিশের হাতিয়ার হবে এই বুলেট বাহিনী। পুজোয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে ক্রাইম মনিটরিং যেকোনও প্রয়োজনে বুলেটে সওয়ার পুলিশ আধিকারিকরা দ্রুত পৌঁছে যাবেন ঘটনাস্থলে। এতে পুলিশের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা আরও বাড়বে। ১০টি নতুন বুলেটসহ পুলিশের বাছাই করা অফিসারদের নিয়ে করা হয়েছে এই বুলেট বাহিনী। পুজোর ভিড়ে পুলিশের পক্ষে বড় গাড়ি নিয়ে যেকোনও জায়গায় দ্রুত পৌঁছনোর ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। এই বুলেট বাহিনী সেক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর হবে। পুলিশের এই নতুন ব্যবস্থার সূচনা করেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, হেডকোয়ার্টার থেকে ১০টি নতুন বুলেট মোটরবাইক পেয়েছে মালদা পুলিশ। এগুলিকে কাজে লাগানোর জন্যই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক, টাউন সাব ইন্সপেক্টর, ক্রাইম মনিটরিং গ্রুপের পুলিশ কর্মী ও অফিসাররা এই বুলেট গুলিতে চেপে আইনশৃঙ্খলা ও যান নিয়ন্ত্রণ দেখভাল করবেন। পুজোর সময় এতে বিশেষ সুবিধে হবে। পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন গোটা মালদা জেলাবাসী।

একের পর এক মৃত্যুর রেস কাটতে না কাটতেই।

ভুতনি :- একের পর এক মৃত্যুর রেস কাটতে না কাটতেই। এবারে বুনো শুকোরের তাণ্ডব। গুরুতর রক্তাক্ত এক মহিলা সহ মোট পাঁচজন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার মানিকচকের ভূতনি থানার অন্তর্গত দক্ষিণ চন্ডিপুর এলাকায়। স্থানীয় প্রতিবেশীরা গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে। মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পাঁচজনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক থাকার কারণে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর মালদা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠান। বাকিদের চিকিৎসা চলছে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। গুরুতর যখন অবস্থায় জয় মন্ডল এবং মায়া মন্ডলকে মালদা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে ধনপতি মন্ডল, জয়দেব মন্ডল এবং সঞ্জীব মন্ডল বর্তমানে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে বলে খবর। গত দুই দিনে বন্যার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দেড় বছরের শিশুসহ দুইজনের। বন্য শুকর আক্রমণের পর রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে।



Ads







অনুসন্ধান







Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 128799