2024-10-31 | পশ্চিমবঙ্গ | Kaliachak Sangbad | Views : 100
বীরভূমের বক্রেশ্বর দুর্গাপুজোর পর হিন্দু বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব হল কালীপুজো। যা শ্যামা পুজো, দীপান্বিতা পুজো বা মহানিশা পুজো নামেও পরিচিত। প্রতিবছর কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই পুজো আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশেও সাড়ম্বরে কালীপুজো পালিত হয়। দেশের বাঙালি বসতি এলাকা এবং বিদেশের বাঙালি বসতি এলাকাতেও প্রতিবছর পালিত হয় কালীপুজো। রাতে বা নিশিকালে এই পুজো হয়। এবছর কালীপুজো ৩১ অক্টোবর। দুপুর ৩ টে ৭ মিনিট ৪২ সেকেন্ড থেকে ১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৫ টা ৮ মিনিট ৭ সেকেন্ড পর্যন্ত অমাবস্যা তিথি থাকবে। দেশজুড়ে দীপাবলি চলে পাঁচ দিন ধরে। এই উৎসবের শুরু হয় কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে, ধনতেরস বা ধনদা ত্রয়োদশী দিয়ে। এই তিথিতে সোনা-রুপোর গয়না, বাসন, ঝাড়ু- এই সব কেনা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ধনতেরসের পরের দিন পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। ওই দিন ১৪ শাক খাওয়া রীতি এবং ১৪ প্রদীপ জ্বালাতে হয়। তার পরের দিন, কার্তিক অমাবস্যায় বাঙালিরা করেন দেবী কালীর আরাধনা। অনেকে ওই দিন অলক্ষ্মী বিতাড়ন পুজোরও আয়োজন করেন। অবাঙালিরা আবার করে থাকেন লক্ষ্মী ও গণেশের আরাধানা। প্রতিটি জায়গার পাশাপাশি সেই একই চিত্র কিন্তু নজরবন্দী হল বীরভূমের বক্রেশ্বরের ঝুঁপোকালি মন্দিরে। বীরভূমের বক্রেশ্বরে ঝুঁপোকালি মন্দিরে প্রতিবছরের মতো এবছরও দেখা গেল মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে দেবীর পুজো। এখানে প্রতি অমাবস্যায় মায়ের পুজো হয়ে থাকে।এই বীরভূমের বক্রেশ্বরের ঝুঁপোকালি মন্দিরের পুজো প্রায় ১২০ বছর ধরে হয়ে আসছে বীরভূম থেকে সংকল্প দে রিপোর্ট।
