
2025-01-20 | পশ্চিমবঙ্গ | Kaliachak Sangbad | Views : 70
অভিষেকের গড়ে সরিষা চেওড়ায় প্রায় ১০ লক্ষ মুসুল্লিদের উপস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি কামনায় দোয়ার মাধ্যমে শেষ হলো তিন দিনের সারা বাংলা ইজতেমা বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:- ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে রবিবার দুপুরে যোহরে নামাজ পড়ে প্রায় ১০ লক্ষের মুসুল্লিদের উপস্থিতিতে বিশ্ব মানব কল্যাণের শান্তি কামনায় দোয়ার মাধ্যমে তিন দিনের সারা বাংলা ইজতেমা দওয়ার মধ্যে সমাপ্তি ঘটে। ডায়মন্ড হারবার বিধান সভার সরিষার কাছে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এর পার্শ্ববর্তী চেওড়া মাঠে বিশাল সামবেশ জুড়ে সেই অর্থ নেই কোনরকম পুলিশ আছে, কেবল তাবলীগের স্বেচ্ছাসেবক তারাই বিশাল কর্মযজ্ঞ সামিলিয়ে নিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গতবৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব শুরু হয় ইজতেমার শুভ উদ্বোধন,দশ লক্ষ ফুট বিশাল প্যান্ডেল। আড়াই কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকা জুড়ে তাবু দু’হাজার বায়ো টয়লেট পাঁচ হাজার প্রস্রাব খানা, ছয়টা দু শো ফুট লম্বা অজু খানা মেহমানরা অজু করে পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করবেন তার ব্যবস্থা চোখ জুড়িয়ে যাবে। সমস্ত বর্ণনা দিলেন মোহাম্মদ ইমরান। এই মানুষের এই দোয়া এ মজলিশ একই সামলাচ্ছেন ইজতেমার কর্মকর্তা আক্রা চন্দন নগর মার্কেজের আমির আব্দুর রউফ সাহেব। প্রায় দেড় মাস ধরে পাঁচশ স্বেচ্ছাসেবক সম্পূর্ণ ধান জমি জলা ভূমি পরিষ্কার করার সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি করেছে ধার্মিক মানুষেরা। অনেকেই নেননি কোন দিন মজুরি। খোদার খিদমত গার হিসেবে তারা কাজ এসেছেন। দু বছর যারা ইসলাম প্রচারে জামাতে ঘুরে মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন তাঁদের পৃথক থাকার ব্যবস্থা। দিল্লি গুজরাট রাজস্থান খাজা বাবার দরবার শরীফ থেকে মানুষ ভিড় করেছেন মহা মানবের এই তাবলিগ জমায়েতে। যারা উক্ত মঞ্চে তাশরীফ আনেন তাঁরা হলেন দিল্লির মাওলানা মাহমুদ আলী সাহেব, মাওলানা মুরসালিন সাহেব রাজস্থান, মেওআতি থেকে মাওলানা আবদুর রশিদ সাহেব,উত্তর প্রদেশের মাওলানা রিয়াসাত সাহেব ছাড়া কাশ্মীর , নাগাল্যান্ড, মহারাষ্ট্র থেকে এসেছেন আমিররাও।রবিবার দুপুরে যোহরের নামাজ পড়ে আখেরি দোয়াও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় সারা বাংলা ইজতেমা। সবাই শৃঙ্খলা বজায় রেখে ধর্ম সাধনায় ব্যস্ত ছিলেন। যে পথে মোর যেতেন হেঁটে নবীজী হজরত মুহাম্মদ (সা:)সেই পথেই নেমেছে মানুষের ঢল। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবা শ্রয় প্রকল্প চলছে তার ভিতর এই ধর্ম সভা সবই চলেছে নিজস্ব ছন্দে। রাস্তায় যেতে যেতে দেখা ও আলাপ হল ডাক্তার সাকিল আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের,তিনিও শরিক হয়েছেন জামাতে। মালদা মেডিকেল কলেজের চেস্ট স্পেশালিস্ট সাকিল আহমেদের জামাতের প্রতি বড় টান,থাকেন বারুইপুর। মগরাহাটের যুগদিয়া গ্রামের সাকিল পড়ে থাকবেন হয়তো বিশাল প্যান্ডেলের কোন এক কোণে। বঙ্গবাসী কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ডক্টর মুসা কালিম তিনিও হেদায়েত দিচ্ছেন পথভ্রষ্ট মানুষের আল্লাহর রাস্তায় ঈমান আনতে। এক আবেগময় ইজতেমা চলছে ইজতেমা চলাকালীন ডায়মন্ড হারবারের বিধান সভার পর্যবেক্ষক শামীম আহমেদ ও প্রায় পাঁচ লক্ষ মুসুল্লিদের উপস্থিতিতে জুম্মার নামাজ আদায় করেছেন সাংসদ অভিষেকের প্রতিনিধি হয়ে। এটা সাংসদের খাস তালুক তাই এটা ইজ্জত কা সওয়াল হ্যায়।